বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

জেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারীদের হয়রানি অভিযোগ

  • আপডেট টাইম রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৫৪৯ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ এমপিওভুক্তির ফাইল নিয়ে চরম ভোগান্তিতে আছেন হবিগঞ্জের বিভিন্ন বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা। বিনা কারণে, কখনো সামান্য কারণে ফাইল রিজেক্ট করায় জেলা শিক্ষা অফিসারের সামনে হট্টগোল করেছেন ভুক্তভোগিরা। জেলা শিক্ষা ভবনে এসে ভুক্তভোগী শিক্ষক কর্মচারীরা গত শুক্রবার রাতে ক্ষোভের বহি:প্রকাশ ঘটিয়েছেন। শিক্ষকদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, করোনাকালীন দুর্যোগ মুহুর্তে নতুন এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন দেয়ার জন্য গত রমজান মাসে অনলাইনে আবেদন চায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। কিন্তু এ সময় শিক্ষক কর্মচারীদের আবেদন অগ্রায়ন করতে অধিকাংশ আবেদনকারীর থেকে সুবিধা নিয়েছেন জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ রুহুল্লাহ। অনেকের অভিযোগ সুবিধা না পেয়ে অনেক ফাইল রিজেক্ট করেছেন। এমনকি কিছু শিক্ষকের নিকট থেকে সুবিধা নিয়েও ফাইল রিজেক্ট করা হযেছে। গত জুন মাসে বঞ্চিত শিক্ষক-কর্মচারীরা ২য় বার আবেদনের সুযোগ পেলে এ সময়ও একই আচরণ করেন জেলা শিক্ষা অফিসার। চলতি মাসে আবারও তারা আবেদন সুযোগ পেলে জেলার বিভিন্ন স্কুল থেকে নতুন এমপিও ও উচ্চতর গ্রেড মিলে প্রায় ২শত শিক্ষক কর্মচারী অনলাইনে আবেদন করেন। অনলাইনের প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে অগ্রায়ন করেন বিভিন্ন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারেগণ। গত ২১ আগস্ট ছিল জেলা শিক্ষা অফিস থেকে আবেদন অগ্রায়ন করার শেষ দিন। ঐ দিন বিকেলে আবেদনকারী শিক্ষক কর্মচারীরা জানতে পারেন তাদের অনেকের ফাইল রিজেক্ট হয়েছে। কোনো কোনো শিক্ষক তাদের ফাইল রিজেক্টের কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে শিক্ষকরা জানতে পারেন ফাইল রিজেক্টের কোন কারণ উল্লেখ নেই। সন্ধ্যায় আবারও শিক্ষক-কর্মচারীরা জড়ো হন জেলা শিক্ষা ভবনে। সেখানে ফাইল রিজেক্টের সঠিক কারণ তিনি বলতে চাননি। শিক্ষকের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়।
তরপ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তিনি সহ তার স্কুলের ৫ জন শিক্ষক কর্মচারী আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে ১ জন শিক্ষকের আবেদন বাবদ তিনি জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রুহুল্লাহকে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন। তিনি সমুদয় টাকা ফেরত চান। রত্না উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আবু তাহের বলেন, ফাইল রিজেক্টের যে কারণ তিনি উল্লেখ করেছেন তার সঠিক ব্যাখ্যা তিনি পাননি। একই রকম আবেদন করে কয়েকজন শিক্ষকের আবেদন অগ্রায়ন করেছেন আর আমাদের ফাইল রিজেক্ট করেছেন। বক্তারপুর আবুল খায়ের উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষক কামাল হুসেন বলেন, জেলা শিক্ষা অফিসার কারণ ছাড়াই শিক্ষকদের হয়রানি করছেন। অযৌক্তিক কারণে তিনি হবিগঞ্জ সদর উপজেলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তরপ উচ্চ বিদ্যালয়, রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আশেরা উচ্চ বিদ্যালয়, বানিয়াচং উপজেলার রত্না উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, নবীগঞ্জের এনএসপি উচ্চ বিদ্যালয় ও আজমিরীগঞ্জের পশ্চিমভাগ উচ্চ বিদ্যালয়সহ অনেক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মচারীর ফাইল রিজেক্ট করেছেন। শিক্ষকদের অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই ডিইও মোহাম্মদ রুহুল্লাহ শিক্ষকদের হয়রানি করছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com