রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গুমের মামলা ॥ ১ বছর পর উদ্ধার

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০
  • ৫২৮ বা পড়া হয়েছে

মাধবপুর প্রতিনিধি ॥ মাধবপুরে আড়াই শতাংশ জমির জন্য স্ত্রীকে লুকিয়ে রেখে শ্বশুর বাড়ীর লোকজনসহ ১৫জনের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করে স্বামী। লুকিয়ে রাখা স্ত্রী দীর্ঘ প্রায় ১ বছর পর নিজেই আত্মপ্রকাশ হয়ে গুম নাটকের নায়ক মামলার বাদী নিজ স্বামী আব্দুল আউয়ালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে ১৯৮/২০ নং দরখাস্ত মামলা দায়ের করেছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘ ১ বছরে মিথ্যা গুমের মামলা আতংকে মামলার ১০নং বিবাদী সিরাজ মিয়া স্ট্রোক করে মৃত্যু বরনসহ বিবাদীরা প্রায় ২৩/২৪ লাখ টাকার সহায় সম্পত্তি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছে। মামলার বিবরনে জানা যায় গত বছরের ২১ নভেম্বর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মন্নাফের ছেলে আব্দুল আউয়াল তার স্ত্রী হামিদা বেগমকে গুমের অভিযোগ এনে আদালতে শ্বশুরবাড়ীর লোকজনসহ পার্শ্ববর্তি বহরা ইউনিয়নের ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে সিআর ৩৩৬/১৯নং দরখাস্ত মামলা দায়ের করে। বিজ্ঞ আদালত মামলাটির তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) হবিগঞ্জ জোনকে নির্দেশ দেন। মামলাটি তদন্তাধীন থাকাবস্তায় দীর্ঘ ১বছর পর অপহৃতা উদ্ধার হয়ে নিজ স্বামী আব্দুল আউয়ালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। প্রায় ৬বছর পূর্বে রতনপুর গ্রামের আব্দুল আউয়াল একই উপজেলার ফরহাদপুর গ্রামের হামিদা বেগমকে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকেই হামিদার পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিগুলো বিক্রি করে স্বামী আউয়াল খরচ করতে থাকে। মৌখিক ভাবে আমৃত্যু বরন পোষনের শর্তে গত বছর হামিদার নামে সর্বশেষ ৫ শতাংশ জমির আড়াই শতাংশ ছোট ভাই ইদ্রিস আলীর ছেলেকে দেয়, বাকী আড়াই শতাংশ জমি স্বামী আউয়াল মিয়ার নামে লিখে দেয়। ইদ্রিসের ছেলে তার নামে দেওয়া আড়াই শতাংশ জমি অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়ায় হামিদার স্বামী ক্ষিপ্ত হয়ে হামিদাকে ভিকটিম সাজিয়ে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা লুকিয়ে রেখে গুমের নাটক করে মামলা করেন। হামিদা বেগম জানান, বড়লেখা থেকে আমি বাড়ীতে আসছে চাইলে আমার স্বামী হত্যার পরিকল্পনা করে আমাকে নিয়ে সিলেটে যায়। আমি তা বুঝতে পেরে সিলেটের জালালবাদ থানার টুকের বাজার ইউনিয়নের নাজিরের গাঁও এর আছির আলীর সহযোগীতায় পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগযোগ করি। সেখান থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ মুরুব্বীয়ান আমাকে উদ্ধার করে। মামলার বিবাদী ইদ্রিস আলী বলেন- মিথ্যা মামলার কারনে ১১ মাস যাবৎ পলাতক ছিলাম। এখন বোন উদ্ধার হওয়ায় আমরা বাড়ীতে এসেছি। দীর্ঘ ১১ মাসে আমরা অর্থসম্পদ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছি। তিনি মিথ্যা মামলা দায়েরকারীদের শাস্তি দাবী করেন। গুমের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মুন্সি আবু কুদ্দুস জানান।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com