বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

বানিয়াচঙ্গের নয়াপাথারিয়া গ্রামের ডাবল মার্ডার মামলার আসামী যুবদল নেতা কুহিনুর আলম কারাগারে

  • আপডেট টাইম সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৫৯ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বানিয়াচং উপজেলার নয়াপাথারিয়া গ্রামে ডাবল মার্ডার মামলায় যাবত জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কুহিনুর আলমকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। রবিবার সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহরিয়ার কবিরের আদালতে হাজির হলে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণ করার আদেশ দেন। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি ছিলেন সরোয়ার আহমেদ চৌধুরী ও বাদী পক্ষের আইনজীবি ছিলেন অ্যাডভোকেট সফিউল আলম। জেলা যুবদল নেতা কুহিনুর আলমকে কারাগারে পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করেন্যাডভোকেট সফিউল আলম। এর আগে মামলার আসামী বানিয়াচং উপজেলার পাথারিয়া গ্রামের শমছু মিয়া, ইদু মিয়া, সিরাজ মিয়া, কাজল মিয়া ও চান মিয়া দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হাজির হলে বিজ্ঞ বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরণ করেন। দন্ডপ্রাপ্ত অপর ৪ আসামী তারা মিয়া, সুজন মিয়া, নজীর মিয়া, মিজানুর আলম পলাতক রয়েছেন। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ২০১১ সালের ২৮ মার্চ বিকেল ৫টার দিকে উল্লেখিত আসামীরা সাবেক মেম্বার সাজেল মিয়ার উপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় সিপাই মিয়া, মর্তুজ আলীসহ স্থানীয় লোকজন তাদের রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসেন। এ সময় আসামীরা তাদের উপরও হামলা চালায়। পরে এ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে সিফাই মিয়া মারা যান। আর গুরুতর আহত মর্তুজ আলী চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার দু’দিন পর হাসপাতালে মারা যান। এ ঘটনায় সিফাই মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলাম বাদি হয়ে বানিয়াচং থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় জেলা যুবদল নেতা কুহিনুর আলম, মক্রমপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা তারা মিয়া মেম্বারসহ ৪৮ জনকে আসামী করা হয়। মামলাটি সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য স্থানান্তরিত করা হয়। উক্ত আদালত আসামীদের ২০১৩ সালে খালাস দেন। পরবর্তীতে বাদিপক্ষ হাইকোর্টে আপিল করলে আদালত খুন করার অপরাধে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করেন। এর মাঝে কুহিনুর আলম, তারা মিয়া, সুজন মিয়া, সমছু মিয়া, কাজল মিয়া, সিরাজ মিয়াকে যাবজ্জীবন ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের জেল এবং ইদু মিয়া, চান মিয়া, নজীর মিয়া ও মিজানুর আলমকে ১০ বছরের কারাদন্ড প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com