শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

বাহুবলে প্রথম বারই ড্রাগণ চাষ করে সফল আব্দুল্লাহ

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১
  • ৪৭৫ বা পড়া হয়েছে

মোঃ তানভীর হোসেন ॥ বাড়ির আঙিনায় চারদিকে সবুজের সমারোহ। সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে ড্রাগন গাছ। সবুজ গাছে শোভা পাচ্ছে গোলাপি, লাল আর সবুজ ফল। স্বপ্নীল পরিপাটি এ বাগানটি গড়ে তুলেছেন বাহুবল উপজেলার চাষি আব্দুল্লাহ। নিজ বাড়ির আঙিনায় বিদেশি ফলের চাষ করে সফলতা দেখিয়েছেন তিনি। উপজেলার প্রথম ড্রাগন চাষি আব্দুল্লাহ। উপজেলার লামাতাসী ইউনিয়নের চিলামী গ্রামের চাষি আব্দুল্লা। মাত্র ১৫ শতাংশ জমিতে ১০৪ টি ড্রাগনের চারা লাগিয়ে প্রথম বারের মতো তার যাত্রা শুরু। দেশের বিভিন্ন জায়গায় থেকে ফলপ্রেমীদের কাছে তিনি ফল সরবরাহ করছেন। আর এই ড্রাগন চাষেই নিজে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি নিজের উপজেলায় ড্রাগন চাষের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখছেন আব্দুল্লাহ। ফলন ও লাভ ভালো হওয়ায় চাষের পরিধি বাড়ানোর কথাও জানান আব্দুল্লাহ। আব্দুল্লাহ জানান, তার ক্ষেতের এক একটি ড্রাগন ফল ৭/৮শ গ্রাম পর্যন্ত ওজনের হয়। বাগান থেকে প্রতি কেজি ড্রাগন ৫শ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি করেন। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ তার বাগান থেকে ড্রাগন কিনে নেন। আব্দুল্লাহ বলেন, শীত মৌসুমে প্রায় চার মাস ছাড়া বছরের বাকি ৮ মাস ড্রাগনের ফলন অব্যাহত থাকে। ১৫ দিন পরপর ফল তোলা যায়। সফল এ ড্রাগন চাষি জানান, বাহুবল উপজেলায় তিনি প্রথম ড্রাগন চাষ শুরু করেন। তার দেখাদেখি এখন অনেকেই এ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। অনেকেই আমার কাছে আসছে বাগান তৈরির পরামর্শের জন্য। বাহুবল উপজেলার উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শামীমুল হক শামীম বলেন, অন্য ফসলের তুলনায় ড্রাগন চাষ লাভজনক। চারা লাগানোর এক বছরের মধ্যে ফল আসতে শুরু করে। আব্দুল্লাহর বাগানে ১৫ মাসে ফল আসে। তিনি এখানে প্রথম এই ড্রাগন চাষ শুরু করেন। তার দেখাদেখি এখন অনেকেই ড্রাগন চাষে ঝুঁকছেন। কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন, পুষ্টিগুণ, আকার-আকৃতি ও দামের কারণে বাজারে এই ফলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ক্যাকটাস জাতীয় গাছ হওয়ায় রোগ বালাইও কম। তাই চাষিরা সহজে এই ফল চাষ করতে পারে। প্রাকৃতিক সার ও সেচ ছাড়া ড্রাগন চাষে নেই বাড়তি খরচ। চারা রোপণের পর বছর পেরোতেই ফলন আসা শুরু হয়। কৃষি বিভাগের সহায়তা পেলে বাহুবল উপজেলায় আব্দুল্লাহ’র মতো নিজ উদ্যোগে বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষে চাষীদের আগ্রহ আরও বাড়বে মনে করেন এখানকার কৃষকরা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com