বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের লাশ কাটা ঘরটি নানা সমস্যায় জর্জরিত

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪৯৩ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নানা সমস্যায় জর্জরিত হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের লাশ কাটা ঘর। জেলার একমাত্র এই মর্গে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা লাশ কাটা হয়। কিন্তু ফ্যান, বাতি, পানি এবং ফ্রিজিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় লাশ পঁচে গিয়ে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচেছ। এমনকি বিভিন্ন রোগ বালাইও দেখা দিচ্ছে। নামে মাত্র হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল। কিস্তু সেবাদানে নেই কোনো উন্নত ব্যবস্থা। অনেক সময় দেখা যায়, বিকাল ৪টার পর কোনো লাশ এলে ময়নাতদন্ত হয় না। পরের দিন করা হয়।
গত শনিবার র‌্যাব এর এক সদস্য সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যান। কিন্তু লাশটি মর্গে রাখার ফলে পঁচে যাওয়ার আশংকায় মৌলভীবাজার থেকে লাশবাহি ফ্রিজিং গাড়ি আনা হয়। এরকম সমস্যা নতুন নয়। অনেক বছর ধরেই এমন অবস্থা চলছে।
পুলিশ ও লাশের সাথে আসা স্বজনরা জানান, কোনো সময় পঁচা লাশ আনা হয় আবার কোনো স্বাভাবিক লাশও আনা হয়। কিন্তু মর্গে রাখার ১২ ঘন্টা পরেই লাশ ফুলে পঁচে যায়। গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লাশ কাটার কোনো অত্যাধুনিক সরঞ্জাম নেই। মান্দাতার আমলে ভুঁতা চাকু ও দা দিয়েই কষ্ট করে লাশ কাটাছেড়া করা হয়। তাছাড়া লাশের গুরুত্বপূর্ণ আলামত রাখার জন্য যে বোতলে রাখা হয় সেগুলোও অনেক পুরোনো। একেকটা বোতলে বেশ কয়েকটি আলামত রাখা হয়। যার ফলে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ব্যাঘাত ঘটার আশংকা রয়েছে। শুধুমাত্র একটি ফ্যান রয়েছে। যে ক’টি বাতি রয়েছে সেগুলোও বিকল। শুধুমাত্র ১টি লাইট দিয়ে কোনো রকমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ডোম। প্রধান ডোম ছাবু মিয়া ও তার সহযোগি তাজুল ইসলাম মারা যাবার পর কোনো নিয়োগ না থাকায় ছাবু মিয়ার ছেলে জিতু মিয়া ও তার সহযোগি রিপন মিয়া অতি কষ্টে লাশ কাটাছেড়া করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com