বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

নবীগঞ্জে চলছে ফসলি জমির মাটি কাটার মহোৎসব

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৩২১ বা পড়া হয়েছে

মোঃ আলমগীর মিয়া, নবীগঞ্জ থেকে ॥ নবীগঞ্জ উপজেলা জুড়ে চলছে দিনে রাতে এই কৃষি জমি ও পাহাড় কাটা, নদীর চড় বালু উত্তোলন উৎসব। অবৈধ মোনাফার জন্য এসব কাজে সহযোগিতা করচ্ছেন চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য জনপ্রতিনিধি, সরকার দলীয় রাজনৈতিক নেতারা। প্রশাসন কয়েকটি অভিযান করলেও মূলহোতা রয়েছেন জেল জড়িমানা বাহিরে।
জমি হতে কেটে নেয়া মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে কোটি কোটি টাকার জায়গা, সরবরাহ করা হচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। এতে জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্যও হুমকির মুখে পড়েছে। পরিবেশ আইন অনুযায়ী কৃষিজমির মাটি কাটা দন্ডনীয় অপরাধ।
জানা যায়, পরিবেশ সংরণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১২ এর ৬ ধারায়) অনুযায়ী, প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট টিলা ও পাহাড় নিধন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অন্যদিকে ১৯৮৯ সালের ইট পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধিত ২০০১) অনুযায়ী, কৃষি জমির টপ সয়েল বা উপরিভাগের মাটি কেটে শ্রেণি পরিবর্তন করাও সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। দুই আইনে শাস্তির বিধান একই রকম। এসব কাজে জড়িত ব্যক্তিদের দুই লাখ টাকার জরিমানা ও দুই বছরের কারাদন্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। একই কাজ দ্বিতীয়বার করলে দায়ী ব্যক্তির ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও ১০ বছরের কারাদন্ড হবে। এ ক্ষেত্রে এ কাজের সঙ্গে জড়িত জমি ও ইটভাটার মালিক উভয়ের জন্যই সমান শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম মাকসুদুল আলম বলেন- কৃষি জমির টপ সয়েল মাটি কেটে নেওয়া ফলে ফলন স্বাভাবিকের চেয়ে কম হয়। এভাবে মাটি কাটা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে জমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।
এ বিষয়ে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নিবার্হী কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিন দেলোয়ার বলেন, আমরা খবর পেলেই সেখানে অভিযান করেছি কিছু জায়গায় জরিমানা করেছি। আমাদের অভিযান চলছে। তিনি আরো বলেন, আমরা এক জায়গায় অভিযান করলে অন্য সব জায়গায় কাজ বন্ধ করে দেয়। আমাদের অভিযান চলমান আছে হাতে নাতে ধরতে পারলে আইনানুক ব্যবস্থা নিব।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com