শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

জেলা জুড়ে সেচের অভাবে নষ্ট হচ্ছে বোরো ধানের জমি

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১২ মার্চ, ২০২৩
  • ৩৮০ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ জেলাজুড়ে সেচের অভাবে নষ্ট হচ্ছে বোরো ধানের জমি। অনেক স্থানে ফেঁটে যাচ্ছে জমি। ধানের গাছের চারাগুলোও লালচে হয়ে যাচ্ছে। অনেক জমিতে চারা রোপন করতে পারছেন না কৃষকরা। এ অবস্থায় হতাশার শেষ নেই তাদের মাঝে।
সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, জেলার বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ, লাখাই, মাধবপুর, নবীগঞ্জ ও বাহুবল উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে হাওরবেস্টিত। এসব এলাকার অধিকাংশ পরিবারই কৃষির উপর নির্ভরশীল। তাদের আবার বৃহৎ একটি অংশ বর্গাচাষি। এ বছর জেলায় বোরো আবাদ হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৫৭৫ হেক্টর জমিতে। এবারের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ২২ হাজার ৪১০ হেক্টর। আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও সেচের অভাব দেখা দিয়েছে জেলার বিভিন্ন হাওরে। সেচের অভাবে নষ্ট হতে চলেছে বানিয়াচং উপজেলার হাওরাঞ্চলের কয়েকশ’ একর জমি। ইতিমধ্যে ধানের চারাগুলোও লালচে হয়ে গেছে। অনেক জমিতে পানি না থাকায় মাটি নরম হচ্ছেনা। ফলে ধানের চারাও রোপন করতে পারছেননা কৃষকরা। সেচের অভাবের জন্য তারা দায়ি করছেন ঠিকমতো বিদ্যুৎ না পাওয়াকে। এ অবস্থায় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে।
বানিয়াচং উপজেলা সদরের আদমখানী গ্রামের বাবুল রহমান খা বলেন, পানির খুবই অভাব। আমরা টিকতে পারবোনা। আমাদের অবস্থা খুবই খারাপ।
মোঃ বাবলু মিয়া বলেন, কৃষি অফিসার একদিনও আমাদের জমি এসে দেখেননা। তারা যদি এসে একদিন দেখতেন হয়তো আমাদের জমি নষ্ট হতোনা। ইতিমধ্যে একাধিকবার আমাদের জমি নষ্টর ফসল নষ্ট হয়েছে।
কুতখানী গ্রামের ছাবু মিয়া বলেন, উপজেলার বল্লির হাওরে সেচের পানির অভাবে আমাদের জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুতেরও সমস্যা আছে। ফলে ঠিকমতো সেচ পাওয়া যায়না। নদী নালা, খালও শুকিয়ে গেছে। তাই একেবারেই পানি পাওয়া যাচ্ছেনা।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলার নগর গ্রামের আব্দুল আজিজ বলেন, পানির অভাবের কারণে জমির মাটি নরম হচ্ছেনা। জমিতে তাই ধানের চারা রোপন করা সম্ভব হচ্ছেনা। হাতের মাঝে আঘাত পাই আমরা। জানিনা এসব জমিতে ধান হবে কি-না।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, বোরো ধানে সেচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। তাই সকল জমিতে যাতে সেচের পানি নিশ্চিত করা যায় সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তবে জেলার বিভিন্ন হাওরে অপেক্ষাকৃত উঁচু জমিতে সেচের কিছু সমস্যা হচ্ছে। সেগুলোতেও আমরা সেচ নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com