বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

নবীগঞ্জের ঘোলডুবা মাদ্রাসা মসজিদে জুমার খুৎবায় মাওলানা আইনুল হক নোমানী- জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে আল্লাহর সঠিক রাস্তার সন্ধান পাওয়া যায়

  • আপডেট টাইম শনিবার, ১৩ মে, ২০২৩
  • ২৮৬ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নবীগঞ্জ উপজেলার কাদমা ঘোলডুবা সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা মসজিদে গতকাল ১২ মে শুক্রবার জুমার খুৎবায় মাওলানা আইনুল হক নোমানী বলেছেন- মাদ্রাসার ছাত্ররা যখন ইসলামী জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে নিজ নিজ ঘর থেকে বের হয়, ধরে নিতে হবে তারা আল্লাহর সঠিক রাস্তায় রয়েছে। একইভাবে মাদ্রাসার শিক্ষকরা যখন জ্ঞান বিতরনের জন্য নিজ নিজ বাড়ি থেকে বের হন তারাও সমাজে এবং ইসলামের দৃষ্টিতে সবার সেরা। এই বোধ শক্তি না থাকার কারণে মাদ্রাসার ছাত্র ও শিক্ষকগন উপযুক্ত সম্মান পাচ্ছেন না। ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ৩টি জিনিস খুবই প্রয়োজন। সেগুলো হল- ইসলামের শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া, ইসলামের দাওয়াত পৌছে দেয়া এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। এ তিনের সমন্বয়ে ইসলাম কায়েম হলে তা সুদৃঢ় হয়, টেকসই হয়। ২৭ মিনিনটের জুমার খুৎবায় তিনি মাদ্রাসা ছাত্রদেরকে অধ্যয়নে আরও বেশি করে মনোনিবেশের আহবান জানান। ২০০৯ ইং সনে ঘোলডুবা গ্রামের মোঃ বকর মিয়া দবির ৩৫ শতক জায়গার উপর জামিয়া সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে ৩ তলা বিশিষ্ট্ মাদ্রাসা ও ৩ তলা বিশিষ্ট মসজিদ কমপ্লেক্স রয়েছে। ১শ আবাসিক ও পৌনে ৩শ অনাবাসিক ছাত্রকে ১০ জন উচ্চ শিক্ষিত শিক্ষক হেফজ বিভাগে ও কওমী সিলেবাসে শিক্ষা প্রদান করছেন। মোট পৌণে ৪শ শিক্ষার্থীর বেশির ভাগই বিনা বেতনে সেখানে অধ্যায়নের সুযোগ পাচ্ছে। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা বকর মিয়া দবির জানান- প্রতি মাসে ছাত্রদের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকার মতো বেতন পাওয়া যাচ্ছে এর বিপরীতে মাদ্রাসার আবাসিক অনাবাসিক ছাত্রদের পিছনে খরচ হচ্ছে প্রতি মাসে ৩ লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা। ৬ ভাই ৩ বোনের সবাই বৃটেন প্রবাসী উল্লেখ করে বকর মিয়া দবির জানান- মাদ্রাসার ব্যয় পরিবারের সদস্যরাই মিটিয়ে থাকেন। মাদ্রাসার নামে ইতিমধ্যে আরও ৪ ক্ষের জায়গা দান করা হয়েছে। নয় মৌজা, কৈলাশগঞ্জ, রাইয়াপুর, কাদমা, ঘোলডুবাসহ আশপাশের অঞ্চলে সিরাজুল উলুম একটি ব্যয়বহুল মাদ্রাসা। বকর মিয়া দবির হবিগঞ্জ শহরে একটি মহিলা হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিমধ্যে জায়গা ক্রয় করেছেন। চলতি বছর এর নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com