বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের সাবেক প্রধান নির্বাহীর বিরুদ্ধে ১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপডেট টাইম সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
  • ৬৩৬ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের সাবেক প্রধান নির্বাহীর বিরুদ্ধে প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন হবিগঞ্জ পৌর এলাকার প্রেসক্লাব রোডের মৃত আব্দুল হান্নানের পুত্র মোঃ হাফিজুর রহমান সেলিম।
তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন-নবীগঞ্জ উপজেলার ১২নং জেএলস্থিত করিমপুর মৌজার বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ড ও গ্যাস পাইপ স্থাপনের প্রয়োজনীয় ভূমি সরকার এল. এ কেস নং ৩৫/২০০৪ ও ০৪/২০১০-১১ মূলে অধিগ্রহন করে। কিন্তু হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের সাবেক নির্বাহী ছালাহ উদ্দিন চৌধুরী অর্থ আত্মসাৎ করার হীন প্রচেষ্টায় ভূমি অধিগ্রহনের সরকারি টাকা ভূয়া মালিক সাজিয়ে তিনি নিজে ক্ষমতা পত্র গ্রহন করে প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। তিনি আরও বলেন, ওই জমির প্রকৃত মালিক আবারক উল্লার উত্তরাধিকারী মেয়ে সুফিয়া টিনা খাতুন হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভূমি হুকুম দখল শাখায় এ জায়গা নিয়ে আপত্তি দেন। যাহার নং ৩৫/২০০৪। এদিকে টিনা খাতুনের বিমাতা ভাই আব্দুল হান্নান ওরপে সাজ্জাদ আপত্তির দরখাস্তের বর্ণিত ভূমির ভূয়া মালিক সেজে ক্ষতিপূরন উঠাইয়া নিতে চাইলে ৭৭/২০০৮ নং মিস মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার প্রেক্ষিতে তৎকালীন দায়িত্বরত অফিসার ও কাননগো ২০০৯ সালের ২৫ জুন তাদের মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনের উল্লেখ করেন মামলা চলাকালীন অবস্থায় ওই টাকা না দেওয়ার জন্য। এবং ওই সম্পত্তি সরকারি সম্পদ বলে উল্লেখ রয়েছে। এ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ ভূমি ও সরকারি কৌশুলী জজ ২০১০সালের ২০ডিসেম্বর স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহন মেনোয়েলে ১৯৯৭ এর ৪র্থ অধ্যায়ের ৫০নং ধারা উপেক্ষাসহ নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে সম্পূর্ন প্রতারণা, জাল জালিয়াতি ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সরকারি কোষাগারে ক্ষতিপূরনের অর্থ সঠিক মালিক নির্ধারন না করেই ১৩৪/২০১০নং মামলার অন্তর্ভূক্ত ভূমিসহ অন্যান্য ভূমি ক্ষতিপূরন শুধুমাত্র একটি মুচলেখা দিয়ে সরকারি অর্থ প্রদান করা বে-আইনী।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি সম্পত্তির মালিক নির্ধারন না হওয়া পর্যন্ত উক্ত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা রাখার আবেদন করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com