বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

মোহনপুর মসজিদে জুমার মুফতি তাহের উদ্দিন সিদ্দিকী ॥ বেশি রাত করে ঘুমালে দেহে কঠিন কঠিন রোগ সৃষ্টি হয়

  • আপডেট টাইম শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫
  • ১৪৪ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরের মোহনপুর উত্তর জামে মসজিদে জুমার খুৎবায় মুফতি তাহের উদ্দিন সিদ্দিকী বলেছেন- রাসূল (সা) এর সুন্নত হচ্ছে এশার নামাজের পরপরই আপনি ঘুমিয়ে যাবেন, রাতের শেষ ভাগে ঘুম থেকে উঠবেন, সঠিক সময়ে ফজরের নামাজ পড়বেন। বেশি রাত করে ঘুমানোকে আল্লাহর রাসুল (সা) চরমভাবে অপছন্দ করতেন। ১৪শ বছর পরে বিজ্ঞানীরা বলছেন- বেশি রাত করে ঘুমালে দেহে কঠিন ও জটিল রোগ হয়। ভোর বেলায় ঘুম থেকে না উঠে সকাল ৭/৮টার দিকে ঘুম থেকে উঠলেও দেহে অনেক কঠিন রোগ সৃষ্টি হয়। একজন মুসলমানের কোনোভাবেই কাম্য নয় যে, তিনি বেশি রাত জেগে থাকবেন। ভোরের বাতাসে আল্লাহর রহমত নাযিল হয়। যারা ভোর বেলায় ঘুম থেকে উঠতে পারবেন না, ফজরের নামাজ আদায় করতে পারবেন না, তারা একই সাথে ফরজ লংঘনের পাশাপাশি আল্লাহর বিশেষ রহমত থেকেও বঞ্চিত হবেন। মাওলানা তাহের উদ্দিন বলেন- সেজদা দিলে শয়তান বেজাড় হয়, আল্লাহ খুশি হন। সেজদা না দেয়ার কারণে শয়তান চির জাহান্নামী, সেজদা দেয়ার কারণে আদম (আ) জান্নাতী। আমাদের সন্তানদেরকে নামাজী হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। ৭ বছর হলেই সন্তানকে নামাজ শিক্ষা দেন, ১০ বছর হলে নামাজের জন্য প্রহার করেন। ১০ বছর হলেই ছেলে হোক মেয়ে হোক সন্তানের জন্য পৃথক বিছানার ব্যবস্থা করতে হবে। দুই জন মেয়ে কিংবা দুই জন ছেলেকে এক সাথে থাকতে দেবেন না, মা বাবাও যাতে ১০ বছরের অধিক বয়সী সন্তানকে নিয়ে একই বিছানায় না ঘুমান তা নিশ্চিত করতে হবে। মাওলানা তাহের উদ্দিন বলেন- নামাজের মধ্যে আমরা অনেক ওয়াজিব অবহেলায় ও না জেনে তরক করি। তাতে মৃত্যু পর্যন্ত নামাজ আদায় করলেও নামাজ হবে না। যেমন রুকু থেকে ভালভাবে সোজা হয়ে দাড়ানো ওয়াজিব। দোয়া পড়া সুন্নত। আপনি রুকু থেকে ভালভাবে সোজা হয়ে না দাড়িয়ে সেজদায় চলে গলেন, আপনি একটি ওয়াজিব বাদ দিলেন। একইভাবে দুই সেজদার মধ্যখানে ভালভাবে সোজা হয়ে বসা ওয়াজিব, দুই সেজদার মধ্যে দোয়া পড়া সুন্নত। আপনি দুই সেজদার মধ্যে ভালভাবে সোজা হয়ে না বসে আরেকটি সেজদা দিয়ে দিলেন, আপনি নামাজের আরেকটি ওয়জিব তরক করলেন। কোনো নামাজে ওয়াজিব বাদ দিলে সেই নামাজ হবে না। রাসুল (সা) এর সুন্নতকে ভালবাসতে হবে। অনেকে জুমার ২ রাকায়াত ফরজ নামাজ পড়েই চলে যান। পরের চার রাকায়াত সুন্নত নামাজ পড়তেই হবে। আপনি যদি মুসাফির হন, গুরুতর অসুস্থ হন, তাহলে ভিন্ন কথা। তাছাড়া জুমার ২ রাকায়াত ফরজের নামাজের পরের ৪ রাকায়াত সুন্নত নামাজ বাদ দিলে গুনাহগার হবেন।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com