বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

মাধবপুরে নানা সমস্যায় জর্জরিত মনতলা অপরূপা বালিকা বিদ্যালয়

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০১৫
  • ১১১০ বা পড়া হয়েছে

আবুল হোসেন সবুজ, মাধবপুর থেকে ॥ টিনের ঘর, ভাঙ্গা বেড়া, আসবাবপত্র ও স্থান সংকুলানের অভাব। এসব সমস্যা নিয়েই শিক্ষা কার্যক্রম চলছে মাধবপুর উপজেলা মনতলা অপরূপা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। এ ভাঙ্গা ঘর আর নানা প্রতিকূলতার মধ্যে পাঠদান হলেও পরীক্ষার ফলাফল খুবই সন্তোষজনক। বিগত ৪ বছরে জেএসসি পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বিদ্যাপীঠটি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক সত্য যে, বিদ্যালয়ের প্রতি তেমন নজর নেই প্রশাসন কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের।
শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া ওই এলাকার নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য এলাকারই ডিগ্রী পাশ করা দুই যুবকের প্রচেষ্টায় ১৯৯৩ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাদের উদ্যোগকে তখন অনেকেই অবহেলার চোখে দেখেছে। কারো কারো প্রতিহিংসাও হয়েছে। কিন্তু ধীরে ধীরে বিদ্যালয়টি জুনিয়র থেকে মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ রূপ পেয়েছে। ১৯৯৩ সালে বিদ্যালয়টি পাঠদানে স্বীকৃতি লাভ করে। ২০০১ সালে জুনিয়র বিদ্যালয়ের একাডেমিক স্বীকৃতি পায়। ২০১০ সালে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিওভূক্ত হয়ে ২০১৫ সালে জুনিয়র থেকে পূর্ণাঙ্গ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় হিসেবে স্থান করে নিলেও এখনো পর্যন্ত বিদ্যালয়টিতে সরকারিভাবে কোনো অবকাঠামো গড়ে উঠেনি। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রচেষ্টায় টিনের ঘরে ছাত্রীরা ঠাসাঠাসি করে দাঁড়িয়ে পাঠদান করতে হয়। বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মুজিবুর রহমান বাহার বলেন, বিদ্যালয়টিতে আসবাবপত্র, বিদ্যুৎ, সুপেয় পানি ও লাইব্রেরীসহ অন্যান্য অসুবিধা থাকায় ছাত্রীরা ভোগান্তি পোহাচ্ছে। প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন খান পলাশ জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে বালিকা বিদ্যালয়টি এগিয়ে চলছে। এখন এ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় ৪শ ছাত্রী নিয়মিত অধ্যয়ন করছে। বিগত ৪ বছর জেএসসি পরীক্ষায় শতভাগ উর্ত্তীণ হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট মাহবুব আলী বিদ্যালয়ে অবকাঠামো উন্নয়নে প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন। আশা করা যাচ্ছে তাঁর আন্তরিক সহযোগিতায় সরকারিভাবে ভবন ও অন্যান্য সুবিধা পাওয়া যাবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com