বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

সাতছড়ি তেলমা বন বিটের গাছ কাটার হিড়িক

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ৫৭৫ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিরান ভুমিতে পরিণত হচ্ছে সাতছড়ি ও তেলমা ছড়া বনাঞ্চল। চোরাকারবারী রাজনৈতিক দলের নেতা ও এক শ্রেণীর সরকারী কর্মকর্তার দূর্নীতির কারণে দিন দিন উজার হচ্ছে এ বনাঞ্চল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে রয়েছে যে, এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নেয়া হলে আগামী কয়েক বছরেই বনাঞ্চলে গাছ পালা বলতে কিছু থাকবে না। ইতি মধ্যে রশিদপুর বন বিট উজার হয়ে গেছে। বন বিভাগ এই বিটকে প্রায় ১০ বছর আগেই পরিত্যক্ত ঘোষনা করেছে। বাকি বিট গুলো চোরাকারবারীরা গ্রাস করতে শুরু করেছে।
হবিগঞ্জ জেলার বনাঞ্চলের আয়তন ৩৬ হাজার একর। ৪টি রেঞ্জে বিভক্ত বন বিভাগে রয়েছে ১১ টি বিট। এ বিট গুলো হচ্ছে হবিগঞ্জ- ১ (শায়েস্তাগঞ্জ) এ আত্ততায়-১ টি হবিগঞ্জ-২ (কালেঙ্গা) ৪টি সাত ছড়ি ও ২টি রঘুনন্দন রেঞ্জের আওতায় ৪টি বিট। বনাঞ্চলের প্রায় ৯৫ ভাগ জায়গাতেই বন বিভাগে সেগুন, গর্জন, শাল, গামার জারুল, আকাশ মনি, বলজিয়াম, লোহা গাঠ, আগর, চাপালিশ, বাশঁ, বেত জাতীয় গাছ সৃজন করেছে।
শত কোটি টাকা এই বন সম্পদ লোটে নিতে রাজনৈতিক ও প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় গড়ে উঠেছে বনদস্যু। এরা সুযোগ বুঝে দিনে অথবা রাতে কেটে নিয়ে যাচ্ছে মূল্যবান গাছ। প্রতিদিন রাতের আধার ট্রলি ট্রাক যোগে লাখ লাখ টাকার গাছ পাচার হলেও বন বিভাগ ও পুলিশ অনেকটা দেখেও না দেখার বান করছে। কাছ কাটা পাচার পর্যন্ত সমস্ত কিছুই হচ্ছে নগদ নারায়নের মাধ্যমে। বন বিভাগে কিছু অসৎ বিট অফিসার ও রীদের প্রত্যক্ষ পরোক্ষ সহযোগিতায় গাছ পাচার চলছে। কয়েক দিন ঝড় বৃষ্টি হলেই শত শত গাছ পড়ে গেছে বলে দাবী ও সাতছড়ি বনাঞ্চলে ঘুরে দেখা গেছে চোরা কারবারীরা গহীন বন থেকে গাছ কেটে নেওয়ার করা হয়। কিন্তু বাস্তবে বন কর্মকর্তা গাছ কেটে বিক্রি করে দেয়।
সরজমিনে তেলমা ছড়া পর গাছের মোথা আগুনে পুরে আলামত নষ্ট করে দেয়। একজন গাছ চোর প্রতি ঘন ফুট গাছের জন্য দিতে হয় ৪শত টাকা বিট কর্মকর্তাকে অর্থ লেন দেনের শেষে অসৎ কর্মকর্তা ভিলেজার ও রক্ষী গাছের প্রধান অংশ গুলো তুলে আলামত নষ্ট করে ফেলে। আর ডগার অংশ গুলো নিয়ে যাওয়া হয় বিটে। যা আহরিত বন সম্পদ হিসাবে পরিচিত। অবৈধ গাছ গুলো প্রকাশ্যেই ঠেলা গাড়ি, রিক্সা বা ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হয় চুনারুঘাট ও তেলিয়াপাড়া বিভিন্ন করাত কলে। সেখান থেকে পাচার হয় হবিগঞ্জ সহ সারা দেশে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com