বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

গাজীপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজের উত্তেজনাকর পরিস্থিতির অবসান

  • আপডেট টাইম বুধবার, ১০ আগস্ট, ২০১৬
  • ৪৬২ বা পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥ চুনারুঘাটের গাজীপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজে টানা ১২ দিনের উত্তেজনাকর পরিস্থিতির অবসান হয়েছে। গতকাল সকালে কলেজ প্রাঙ্গনে এলাকার সুশীল সমাজ, অভিভাববক, শিক্ষক ও গভর্ণিং বডির সদস্যদের এক সালিশ সভায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির অবসান ঘটানো হয় এবং গভর্ণিং বডি কর্তৃক ২০১৬ সালে জেএসসি পরীক্ষার ফি আদায়ের বিষয়টিও সাধারণ সভায় অনুমোদিত হয়। সালিশ সভায় সভাপত্বি করেন বর্তমান চেয়ারম্যান মাওলানা তাজুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান হুমায়ুন খানসহ গভর্ণিং বডির সদস্যবৃন্দ ও অভিভাবকবৃন্দ। তবে গভর্ণিং বডির সদস্য জালাল খান ও বাবুল মিয়া ওই সালিশ সভায় উপস্থিত ছিলেন না।
গত ২৭ জুলাই গভর্ণিং বডির সদস্য বাবুল মিয়া প্রকাশ্যে শিক্ষকদের প্রতি অকথ্য ভাষা ব্যবহার করেন। এতে শিক্ষকসহ ছাত্র অভিভাবকদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার জন্ম হয়। পরদিন রবিবার সকালে শিক্ষকরা ৩ দিনের ক্লাশ বর্জনের ঘোষনা দিলে শিক্ষার্থীদের মাঝেও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আন্দোলনে নামেন শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। অপরদিকে গভর্ণিং বডির সদস্য বাবুল মিয়া ও জালাল উদ্দিন খান শিক্ষককে গালাগালির কথা অস্বীকার করে বলেন, প্রতিষ্টানে অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিরুদ্ধে কথা বলায় শিক্ষকরা কৌশল হিসেবে ক্লাশ বর্জনের ঘোষনা দেন। এ নিয়ে কলেজে অচলাবস্থা শুরু হয়। বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে এলাকার সুশীল সমাজের কয়েকজন সদস্য শিক্ষকদের সাথে কথা বলে সালিশে নিষ্পত্তির আহবান জানালে শিক্ষকরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে ক্লাশে ফিরে যান। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সালিশ সভার তারিখ নির্ধারিত হয়। কিন্তু সোমবার রাতে বাবুল মিয়ার পক্ষের লোকজন সারা এলাকায় মাইকিং করে সালিশ সভা স্থগিতের ঘোষনা দেয়। তবে গতকাল মঙ্গলবার সকালে যথারীতি কলেজ ক্যাম্পাসে অভিভাবকদের সমন্বয়ে সালিশ বসে এবং বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়। পরবর্তী যে কোনদিন বাবুল মিয়া ও শিক্ষকদে মাঝে যে দুরত্বের সৃষ্টি হয়েছে তা মিমাংশা করে দেয়ার দায়িত্ব নেন চেয়ারম্যান মাওলানা তাজুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com