রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

নবীগঞ্জের দীঘলবাগে ১০ টাকা কেজির চাল কালোবাজারে ইউএনও বরাবরে অভিযোগ

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ৪ মে, ২০১৭
  • ৬২৬ বা পড়া হয়েছে

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাগ ইউনিয়নে ১০ টাকা কেজি চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম-দূর্নীতি এবং তালিকাভুক্তদের চাল না দিয়ে কালো বাজারে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে গত সোমবার সুবিধা বঞ্চিত লোকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে ডিলার সায়েক মিয়ার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে প্রকাশ সরকার কর্তৃক ১০ টাকা ধরে মাথাপিছু ৩০ কেজি করে দারিদ্রদের মাঝে চাল বিক্রির সিদ্ধান্ত নিলে সারা দেশের ন্যায় নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে চাল বিতরণ শুরু করেন। সেই অনুযায়ী উপজেলার দীঘলবাগ ইউনিয়নের সুবিধাভোগী দারিদ্রদের তালিকা করে তাদের নামে কার্ড তৈরী করা হয়। কিন্তু অদৃশ্য কারনে অনেক কার্ডধারী দারিদ্রদের মাঝে কার্ড না দিয়ে ৫ মাস ধরে তাদেরকে চাল না দিয়ে তাদের চাল কালো বাজারে বিক্রি করে দিয়েছেন ডিলার সায়েক মিয়া। এ ঘটনায় এলাকায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সুবিধা বঞ্চিত দারিদ্র লোকজন মাস পর অতি সম্প্রতি জানতে পারেন তাদের নামে ১০ টাকা ধরে ৩০ কেজি করে চাল এর তালিকা ও কার্ড হয়েছে। তবে কাগজ কলমে তাদের নাম থাকলেও বাস্তবে ৫ মাস যাবৎ ১০ টাকা ধরে ৩০ কেজি করে চাল তাদের ভাগ্যে জোটেনি। এতে হতাশা দেখা দিয়েছে দারিদ্র মানুষদের মাঝে।
এ ব্যাপারে সুবিধা বঞ্চিত রাধাপুর গ্রামের আনহার মিয়া, পরাশ মিয়া, তাহিদ মিয়া ও মুজিব মিয়াসহ অনেকেই জানিয়েছেন, তালিকায় তাদের নাম থাকলেও ৫ মাস ধরে তাদেরকে চাল দেয়া হয়নি। তাদের অভিযোগ তালিকায় নাম ও কার্ড থাকা সত্ত্বেও মেম্বার ও ডিলার আতাত করে তাদের নামের বরাদ্ধকৃত চাল কালো বাজারে বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা খামিয়েছে। এছাড়াও ৩০ কেজি চালের বদলে অনেক’ কার্ডকারীদের ২০/২৫ কেজি করে চাল দেয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com