শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতছড়ি উদ্যানে বন্য প্রাণীর পানির সংকট প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে বানিয়াচংয়ের শিশুর মৃত্যু ॥ আহত ৭ মাধবপুর ভূমি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় জনভোগান্তি বাহুবলে এক অসহায় পিতার আকুতি ॥ “আমার সন্তানকে বাঁচান” ইকুইপ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে দীর্ঘদিন পড়ে আছে কড়ই গাছ বিজিবির পৃথক অভিযান দেশীয় অস্ত্র, মদ ও কাপড়সহ আটক ২ বাহুবলে পরকিয়া প্রেমের বলি গৃহবধূ সুমির দাফন সম্পন্ন ॥ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক হবিগঞ্জ শহর থেকে ১৬ বছরের কিশোরী নিখোঁজ চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

নবীগঞ্জে আনন্দ স্কুলের ভুয়া পুল শিক্ষক নিয়োগ পত্র দেখিয়ে প্রকল্পের টাকা আত্মসাত

  • আপডেট টাইম সোমবার, ১৬ জুলাই, ২০১৮
  • ৬৬৬ বা পড়া হয়েছে

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জ উপজেলার রস্ক প্রকল্পের আওতায় আনন্দ স্কুলের ভুয়া পুল শিক্ষক নিয়োগ পত্র দেখিয়ে প্রকল্পের ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া পুল শিক্ষক মাহবুবুর রহমান ৫টি স্কুলের শিক্ষক পুণঃস্থাপনের কথা বলে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে কিছু টাকা ফেরৎও দিয়েছেন মাহবুব। এদিকে নবীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং আনন্দ স্কুলের টিসি উক্ত পুল শিক্ষকদের চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগের কাগজ পত্র যাচাই বাচাই না করে জানুয়ারী-মার্চ ২০১৮ইং এর প্রথম কিস্তির উল্লেখিত টাকার চেক ছাড় দেন।
সুত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রিচিং আউট স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) ফেইজ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩৫টি আনন্দ স্কুল রয়েছে। উক্ত স্কুল গুলো দেখা শুনার জন্য ১ জন টিসি ও অবঃ ৩ জন শিক্ষককে পুল শিক্ষক হিসেবে ২০১৭ইং সনের জানুয়ারী থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয় মাহবুবুর রহমান, বিজিত কুমার তালুকদার ও হিমাংশু সুত্রধরকে। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তারা নিয়মিত পরিদর্শন না করেই বেতন ভোগ করে আসছিলেন। কিন্তু মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর আর নবায়ন করা হয়নি। তবে ২০১৮ সালে পুল শিক্ষক নিয়োগ প্রকল্প অধিদপ্তরের অনুমোদন না হলেও ভুয়া নিয়োগ পত্র তৈরী করেন উল্লেখিত বেতনের টাকা আত্মসাত করেছেন। এতে প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত টিসির কোন স্বাক্ষর নেই। চলতি বছর প্রকল্পের সাথে নতুন করে কোন চুক্তি বা নিয়োগ না নিয়েই উল্লেখিত ৩ জন পুল শিক্ষককে কিভাবে ৩ মাসের বেতনের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে এ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে পুল শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি চলতি বছর প্রকল্প কর্তৃপক্ষের সাথে কোন প্রকার চুক্তি বা নিয়োগ হয়নি বলে স্বীকার করে বলেছেন, তাদের কাগজপত্র টিসি’র কাছে দেয়া হয়েছিল। এছাড়া শিক্ষক পুণঃস্থাপনের নামে ৫ জন শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগও স্বীকার করেছেন।
এ ব্যাপারে প্রকল্পের নবীগঞ্জের দায়িত্বে টিসি মোঃ রজব আলীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, রস্ক প্রকল্পের আওতায় আনন্দ স্কুলের মনিটরিংয়ের জন্য পুল শিক্ষক নিয়োগ দেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার। এ বিষয়ে তিনি কিছু বলতে নারাজ। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, নবীগঞ্জ উপজেলায় ৩৫টি আনন্দ স্কুলের জন্য ৩ জন পুল শিক্ষক দেয়া হয়ে থাকে প্রকল্প কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী। উক্ত উপজেলায় ২০১৭ সালে ৩ জন পুল শিক্ষক ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিয়োগ দেয়া হয়। নিয়মানুযায়ী ২০১৮ সালে তাদের নিয়োগ নবায়ন অথবা নতুন করে নিয়োগ নেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু তারা তা না করে পুর্বের নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকের নামে চেক ইস্যু করে ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। যা আইন সম্মত নয়। এছাড়া একাধিক স্কুলে নিয়মিত ক্লাস না হওয়া, সময় মত শিক্ষকদের স্কুলে না যাওয়া ইত্যাদি অভিযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com